দাদু-নাতির ভালোবাসা অকৃত্রিম! তমালের জীবনে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তার ঠাকুরদা। সময়ের নিয়মে একদিন তিনি শরীরের মায়া কাটালেন। তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী নাতি তমাল সাহসী ছেলে। কোনো ভুতের ভয় সে পেতো না। ঠাকুরদা মারা যাওয়ার পরও তাই তাঁর ঘরে শুতে কোনো দ্বিধা বোধ ছিল না। দুদিন পর হঠাৎই মাঝরাতে একদিন তার ঘুম ভেঙে যায়। কিসের যেন একটা আওয়াজ পেয়েই ঘুমটা ভেঙে গেল তার। কৌতূহলী মন গুটি গুটি পায়ে বাইরে যায়। ওধারে কিসের যেন একটা ছায়া চোখে পড়ে তমালের। তবে কি সত্যিই মৃত্যুর পর তিনদিন মানুষের আত্মা ইহলোকের মায়া কাটাতে পারে না?
Loading comments…