বাংলা কবিতার জগতে নবীন এক কণ্ঠস্বর হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছেন তরুণ কবি পূজা কর্মকার। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ নীলবর্তিকা—শুধু একটি গ্রন্থ নয়, বরং তা তার অন্তর্জগতের, অনুভবের ও শিল্পসাধনার এক অভিজ্ঞানচিহ্ন। পূজা কর্মকার জন্মগ্রহণ করেন ৪ঠা আগস্ট, টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার মগড়া গ্রামে। পিতা পরিতোষ কর্মকার ও মাতা স্বপ্না রাণী কর্মকারের স্নেহছায়ায় বেড়ে ওঠা পূজার স্থায়ী ঠিকানা—গ্রাম ও ডাকঘর: মগড়া, উপজেলা: কালিহাতী, জেলা: টাঙ্গাইল। বর্তমানে তিনি কুমুদিনী সরকারি কলেজে বাংলাভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পরিবারে সাহিত্যচর্চার সরাসরি পরম্পরা না থাকলেও পূজা একক সাধনায় নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন সৃজনশীল কবি হিসেবে। সাহিত্য তার কাছে কেবলমাত্র অনুভবের বা প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং আত্মপ্রকাশের এক নীরব বিপ্লব। সমকালীন বাংলা সাহিত্যে তরুণদের মধ্যে পূজা কর্মকার তার প্রতিভা, অধ্যবসায় ও স্বতন্ত্র স্বরের জন্য ইতোমধ্যেই নিজের একটি আলাদা অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার নীলবর্তিকা কাব্যগ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের নবীন সম্ভাবনাময় কণ্ঠস্বর হিসেবে সমাদৃত হবে, এই বিশ্বাস অনায়াসে করা যায়।